ছোটদের সর্বোচ্চ স্ক্রিন টাইম

আপনার ছোট্ট সন্তানটিকে একেবারে ছোট থাকা অবস্থায় (৩-৪ মাস), যদি ইউটিউব বা যেকোনোভাবে ভিডিওর মাধ্যমে ABCD, ছড়া, কখগঘ, 123, ১২৩ ইত্যাদি শেখাতে পারেন, তাহলে সে খুব দ্রুত সবকিছু শিখে নিবে। আপনার মাথায় প্রশ্ন আসতে পারে “চোখ যদি নষ্ট হয়ে যায় কম বয়সে?” ভ্যালিড প্রশ্ন। আপনার সন্তানের বয়স যদি ২ বছরের কম হয় তাহলে সে আপনার সাথে বসে টিভি বা যেকোনো ডিভাইসে ভিডিও দেখবে। এবং সেটা টানা ১ ঘন্টা বা তার চেয়ে কম সময় হতে হবে।
অন্যদিকে যদি আপনার সন্তানের বয়স ২ বছর বা তার চেয়ে বেশি হয় তাহলে, আপনি তাকে একা একা টিভি দেখার জন্য ছেড়ে দিতে পারেন তবে সময়টা একই থাকবে অর্থ্যাৎ টানা ১ ঘন্টা বা তার চেয়ে কম।
আমার ছোট্ট মেয়েটার যে ডক্টর আছেন সে রিকমেন্ড করেছিলো প্রতিদিন সর্বোচ্চ স্ক্রিন টাইম হতে হবে ৪ থেকে ৫ ঘন্টা এবং কখনই টানা এক ঘন্টার বেশি নয়।
স্ক্রিন টাইম খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয় এখনকার সময়ে। বাচ্চারা খুব দ্রুত টিভি দেখে বা ভিডিও দেখে সবকিছু শিখে ফেলে (এটা প্রমানিত)। সেজন্য ভিডিওর বিষয়বস্তু নিয়ে চিন্তা করতে তো হবেই সেই সাথে প্রতিদিন কত ঘন্টা করে দেখবে সেটা নিয়েও ভাবতে হবে। অন্যথায় চোখে সমস্যা হতে পারে।
পুনশ্চ: আমার মেয়েটা ইউটিউব দেখে দেখে বেসিক প্রায় সবকিছু শিখে নিয়েছে। এটা একদিক থেকে ভালো তবে আমরা ভয় পাচ্ছি ওর চোখে কেমন ক্ষতি হয়েছে বা হচ্ছে সেটা নিয়ে। এজন্য আমরা স্ক্রিনের ব্যাকলাইট যতটা পারি ডার্ক করে দেই যেন চোখে প্রেশার না পরে। আমি শুধু আমাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম। এটাকে কেউ সব কথার শেষ কথা হিসেবে ধরে নিবেন না।
পুনশ্চ ২: খুব সতর্ক থাকবেন যেন ভিডিও দেখার সময় অ্যাডাল্ট কনটেন্ট অথবা মানসিকভাবে ক্ষতি হতে পারে এমন কোনো বিষয় চলে না আসে। এমনকি বিজ্ঞাপন দেখার সময় সতর্ক থাকবেন। ছোটবেলা থেকে আপপনার সন্তান যা শিখবে (টিভি দেখে, আপনার কাছ থেকে, সমাজের কাছ থেকে) সেটা হবে সারাজীবনের ভিত্তি।
More Stories
VLOG 2 | অরোরার আবদার গিটারে গান | Bangla Vibes
VLOG 2 | অরোরার আবদার গিটারে গান | Bangla Vibes