RobinsHQ is Now Bangla Vibes. CLICK to SUBSCRIBE

(VIDEO) করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় | আমরা আমেরিকায় কী করছি?

করোনাভাইরাস শুধু আপনার ও আমার সমস্যা না, করোনাভাইরাস বিশ্বব্যপী। আমরা আমেরিকাতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কী করছি তা নিয়ে আজকের এই ভিডিও।

ভিউয়ারস আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন। আমেরিকার ফ্লোরিডাতে করোনাভাইরাস শুরুর দিকে তেমন একটা ক্ষতি না করলেও বর্তমানে এটা ভয়ংকর আকার ধারন করেছে। পুনরায় লকডাউন করার পরিকল্পনা করছে ফ্লোরিডা সরকার। এটা এত ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করার কারন হিসেবে আমি মনে করি ফ্লোরিডা সরকারের উদাস দৃষ্টিভঙ্গি। তারা ১ মাস আগে সবকিছু সীমীত আকারে ওপেন করে দেয়।এর পর থেকেই দেখা যায় মানুষ ডাউন-টাউন আর সী-বিচে ভীড় করছে। জনগনেরও দোষ আছে, তারা একটু সচেতন হলেই পারতো।

ভিউয়ারস, শুধু মাস্ক ব্যবহার করলেই করোনা প্রতিরোধ হয় না। এর জন্য আমার মতে কিছু জিনিস প্রতিদিন নিয়ম করে করতে হয়। যেমনটা আমরা করছি।

বাইরে তো আমরা মাস্ক পরে যাচ্ছি। খুব একটা বাইরে যে যাচ্ছি তাও না। তবে কোথাও গেলে মেক শিউর করছি যেন অন্য একটি মানুষের থেকে কমপক্ষে ৬ ফুট দূরত্ব থাকে।

আমাদের বাসায় ঢোকার সময় জুতো পরে ঢোকা একেবারে নিষেধ। জুতো বাইরে নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে। আমেরিকাতে যেহেতু সবাই জুতো পরেই ঘরে ঢুকো এমনকি ঘুমিয়েও পরে তাই এই নিয়ম আমরা আমাদের বাসায় করেছি। এখন আপনার জুতো যতই পরিস্কার হোক না কেন, সেটা বাইরে রাখতে হবে।

ঘরে ঢোকার পর, হ্যান্ড স্যানিটাইজ করতে হবে। সামটাইমস আমরা যে ঘরে ঢুকছে তার প্যান্টে অ্যালকোহল স্প্রে করে দেই।

আমরা প্রতিদিন বাইরে থেকে আসার পর, অথবা কেউ যখন বাসায় আসে এবং চলে যায় তখন নিয়ম করে ফ্লোরে অ্যালকোহল স্প্রে করি।

বাইরে থেকে আমরা বাজার থেকে যাই কিনে আনি সেটাকে প্রথমেই আমরা কিচেনের সিঙ্কে নিয়ে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলি। এটা করা বাধ্যতামূলক।

ঘরের সকল অ্যাপ্লায়েন্স এবং দরজা জানালার হাতল আমরা প্রায়শই অ্যালকোহল ওয়াইপ দিয়ে ক্লিন করি।

অন্যদিকে আমরা ইমিউন বুস্ট করার জন্য ভিটামিন সি সাপলিমেন্ট খেয়ে থাকি। গরম লেবু চা খাই।আমরা নিজেরাও ইমিউন বুস্টার তৈরি করে সেটা খাই। সেটা আমার মতে সেরা সলুশন। আপনারা আমাদের ইমিউন বুস্টার শটের ভিডিওটি না দেখে থাকলে এই ভিডিওর ডেসক্রিপশনের লিঙ্ক থেকে দেখে নিবেন।

ফ্লোরিডাতে মাস্ক পরা আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে কিছু গ্রুপ অফ পিপল এটার প্রতিবাদ করছে। এটা শুনতে হাস্যকর শোনালেও প্রতিবাদকারীরের লজিক ফেলে দেয়ার মত নয়। এই যেমন অনেকে বলছে, আমি মাস্ক পরব কি পরবনা সেটা আমার ব্যক্তিগত অধিকার। ফ্রিডম অফ চয়েস। আবার অনেকে বলছে মাস্ক পড়লে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কিছু ক্ষেত্রে ঠিক। অনেকে বলছে সবাই মাস্ক পড়লে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। কিছু টাইপের মানুষ সব দেশেই থাকে সেটা আমেরিকা বলেন আর যে কোনো দেশই বলেন। কি একটা অবস্থা যাচ্ছে।

ভিউয়ারস, আগের ভিডিওতে আপনারা জানতে পেরেছিলেন অরোরা পায়ে ব্যাথা পেয়েছে। আজ ও একটু ভালো ফীল করছে বলে মনে হচ্ছে। পায়ের নিচে ফোলা টা একটু কমেছে। ডাক্তারের দেয়া অসুধে ভাল কাজ হয়েছে।

আজ তাহলে থাক এ পর্যন্ত। দেখা হবে পরের ভিডিওতে। Bye bye.

 


অন্যান্য পোস্ট