RobinsHQ is Now Bangla Vibes. CLICK to SUBSCRIBE

VLOG 48 | ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে প্রচলিত ধারনা

সব ‘কম্পিউটার কোড বা ল্যাঙ্গুয়েজ’ একরকম
অনেক ধরনের কম্পিউটার কোড রয়েছে এবং একজন ওয়েব ডেভলপারের সব ধরনের কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজ জানার প্রয়োজন নেই। তারপরেও, একজন ওয়েব ডেভলপার একাধিক কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজ জানে এবং ভিন্ন ধরনের ওয়েব ডেভলপমেন্ট প্রজেক্টে কাজ করতে পারে। কিন্তু তার মানে এই না যে একজন ওয়েব ডেভলপার ফটোশপ বা মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মতো সফটওয়্যার তৈরি করবে। কারণ, এগুলো সফটওয়্যার! যা তৈরি করা সফটওয়্যার ডেভলপারদের কাজ।

জিনিসটা এমন যে, গাড়ি এবং জেট প্লেন দুটোই কিন্তু বাহন। কিন্তু তার মানে এই না যে, গাড়ির মেকানিক জেট প্লেনের সমস্যা ফিক্স করবে। একজন ওয়েব ডেভলপার নির্দিষ্ট কিছু ল্যাঙ্গুয়েজে এক্সপার্ট হয় বছরের পর বছর সেগুলো নিয়ে কাজ করতে করতে। একদিনে বা এক মাসে সেটা হয় না।

কয়েকটা বাটনে ক্লিক করলেই ওয়েবসাইট লঞ্চ হয়ে যায়
মানে কি! হ্যা, যারা ওয়েব ডেভলপমেন্ট এবং কোডিং প্রসেস নিয়ে জানেন না তাদের মাঝে অনেকেই এটা ধারনা করেন যে কয়েকটা বাটন ক্লিক করলেই ওয়েব সাইট চালু করা যায়। এটা সম্পূর্ণ ভুল একটি ধারনা। ঘন্টার পর ঘন্টা কাজ করার পর একটা ওয়েবসাইট ডেভলপমেন্ট ফেজ থেকে লাইভ করা হয়ে থাকে। যত বেশি অটোমেশন, ইন্টিগ্রেশন একটি ওয়েবসাইটে থাকবে সে ওয়েবসাইট তত বেশি কমপ্লেক্স হবে এবং তৈরি করতেও বেশি সময় লাগবে। 

ফেসবুক বা ক্রেইগলিস্টের মত ওয়েবসাইট দেখতে খুব সিম্পল কিন্তু এগুলো অনেল কমপ্লেক্স। খুব সাদাসিধে একটা ওয়েবসাইটের পেছনে অনেক কমপ্লেক্স ইন্টিগ্রেশন থাকতে পারে যা অনেক এক্সপেনসিভ। সুতরাং ওয়েবসাইটের বাহ্যিক লুক দেখে কনফিউজড হবেন না। The simpler the design, often the more expensive the site is.

ওয়েবসাইট লাইভ হওয়ার পর ওয়েব ডেভলপারের আর প্রয়োজন নেই
ভুল ধারনা। একটা সাকসেসফুল ওয়েবসাইটের ডেভলপমেন্ট কখনও শেষ হয় না। এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। নির্দিষ্ট সময় পর পর আপডেট এবং আপগ্রেড করতে হয়। সেই সাথে, বাগ ফিক্স থেকে শুরু করে যে কোনো ওয়েবসাইট রিলেটে ইস্যু অথবা ফিচার যোগ করার কাজ ওয়েব ডেভলপার রা করে থাকে ওয়েবসাইট পাবলিশ হওয়ার পরেও। এজন্যেই তো কোম্পানি যাদের মাত্র একটি ওয়েবসাইট আছে যা ইতোমধ্যে লাইভ ও হয়েছে তারাও ফুল টাইম ওয়েব ডেভলপার হায়ার করে শুধুমাত্র ওই ওয়েবসাইটের কাজে নিয়োজিত থাকার জন্য।


অন্যান্য পোস্ট